মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং এর সেক্টর কমান্ডারগণ বাংলায় নিচে দেওয়া হলো:
• সেক্টর ১: চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, রামগড়, ফেনী ও নোয়াখালী জেলার অংশবিশেষ।
• কমান্ডার: মেজর এম. এ. রব (শুরুতে), পরবর্তীতে মেজর রফিকুল ইসলাম।
• সেক্টর ২: ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ।
• কমান্ডার: মেজর খালেদ মোশাররফ (সেপ্টেম্বর পর্যন্ত), পরবর্তীতে মেজর এ. টি. এম. হায়দার।
• সেক্টর ৩: হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ।
• কমান্ডার: মেজর কে. এম. শফিউল্লাহ (জুলাই পর্যন্ত), পরবর্তীতে মেজর এ. এন. এম. নূরুজ্জামান।
• সেক্টর ৪: বর্তমান সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই ও শায়েস্তাগঞ্জ বাদে বাকি অংশ।
• কমান্ডার: মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত (সি আর দত্ত)।
• সেক্টর ৫: সিলেট জেলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও দুর্গাপুর এলাকা।
• কমান্ডার: মেজর মীর শওকত আলী।
• সেক্টর ৬: দিনাজপুর ও রংপুর জেলার অংশবিশেষ এবং ঠাকুরগাঁও মহকুমা।
• কমান্ডার: উইং কমান্ডার এম. খাদেমুল বাশার।
• সেক্টর ৭: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ।
• কমান্ডার: মেজর কাজী নুরুজ্জামান।
• সেক্টর ৮: কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর ও বরিশাল জেলার অংশবিশেষ।
• কমান্ডার: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী (আগস্ট পর্যন্ত), পরবর্তীতে মেজর এম. এ. মঞ্জুর।
• সেক্টর ৯: বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার অংশবিশেষ।
• কমান্ডার: মেজর এম. এ. জলিল (ডিসেম্বর পর্যন্ত), পরবর্তীতে মেজর জিয়াউদ্দিন আহমেদ।
• সেক্টর ১০: কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না; এটি নৌ-কমান্ডো ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার জন্য গঠিত হয়েছিল (সরাসরি কমাণ্ডার-ইন-চিফের অধীনে)।
• কমান্ডার: লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম. আই. রুমী (কমান্ডার পেটো ও অন্যান্যরা)।
• সেক্টর ১১: ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল এবং রংপুর ও গাইবান্ধার অংশবিশেষ।
• কমান্ডার: মেজর জিয়াউর রহমান (পরবর্তীতে মেজর এম. আবু তাহের এবং স্কোয়াড্রন লিডার এম. হামিদুল্লাহ খান)।