১৯৪৭

1
মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা ঘোষণা
৩ জুন ১৯৪৭ দেশভাগ
মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা ঘোষণা
ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাজনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। এই পরিকল্পনার ভিত্তিতেই ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
2
পাকিস্তান রাষ্ট্রের অভ্যুদয়
১৪ আগস্ট ১৯৪৭ দেশভাগ
পাকিস্তান রাষ্ট্রের অভ্যুদয়
ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান নামে একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের একটি প্রদেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়, যা পরে পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত হয়।
3
দেশভাগ ও পূর্ব বাংলা
১৪ আগস্ট ১৯৪৭ দেশভাগ
দেশভাগ ও পূর্ব বাংলা
দেশভাগের ফলে পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশ হয়। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর-জেনারেল নিযুক্ত হন।

১৯৪৮

4
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলন শুরু
১১ মার্চ ১৯৪৮ ভাষা আন্দোলন
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলন শুরু
পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানানো হয়। ছাত্রসমাজ ও বুদ্ধিজীবীরা বাংলা ভাষার অধিকার আদায়ে আন্দোলন শুরু করে।
5
বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলনে যোগদান
২১ মার্চ ১৯৪৮ ভাষা আন্দোলন
বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলনে যোগদান
শেখ মুজিবুর রহমান ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বাংলা ভাষার দাবিতে আন্দোলন জোরদার করেন।

১৯৪৯

6
বাংলাদেশ আওামিলীগের প্রতিষ্ঠা
২৩ জুন ১৯৪৯ আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠা
বাংলাদেশ আওামিলীগের প্রতিষ্ঠা
১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন প্রগতিবাদী নেতাদের উদ্যোগে আহূত এক কর্মী সম্মেলনে পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে বাঙালি জাতির মুক্তির বারতা নিয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল বাংলাদেশ আওামিলীগ।

১৯৫২

7
ভাষা আন্দোলন ও শহীদ দিবস
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ ভাষা আন্দোলন
ভাষা আন্দোলন ও শহীদ দিবস
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকায় ছাত্রদের বিক্ষোভে পুলিশ গুলি চালায়। সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ অনেকে শহীদ হন। এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত।
8
শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠা
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ শহীদ মিনার
শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠা
প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা’ সম্পন্ন করে। শহীদ মিনারের খবর কাগজে পাঠানো হয় ঐ দিনই। শহীদ বীরের স্মৃতিতে - এই শিরোনামে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ছাপা হয় শহীদ মিনারের খবর। মিনারটি তৈরি হয় মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেলের (ব্যারাক) বার নম্বর শেডের পূর্ব প্রান্তে। কোণাকুণিভাবে হোস্টেলের মধ্যবর্তী রাস্তার গা-ঘেঁষে। উদ্দেশ্য বাইরের রাস্তা থেকে যেন সহজেই চোখে পড়ে এবং যে কোনো শেড থেকে বেরিয়ে এসে ভেতরের লম্বা টানা রাস্তাতে দাঁড়ালেই চোখে পড়ে। শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উঁচু ও ৬ ফুট চওড়া। মিনার তৈরির তদারকিতে ছিলেন জিএস শরফুদ্দিন (ইঞ্জিনিয়ার শরফুদ্দিন নামে পরিচিত), নকশা করেছিলেন বদরুল আলম; সাথে ছিলেন সাঈদ হায়দার। তাদের সহযোগিতা করেন দুইজন রাজমিস্ত্রী। মেডিকেল কলেজের সম্প্রসারণের জন্য জমিয়ে রাখা ইট, বালি এবং পুরান ঢাকার পিয়ারু সর্দারের গুদাম থেকে সিমেন্ট আনা হয়। ভোর হবার পর একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় মিনারটি। ঐ দিনই অর্থাৎ ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, ২২ ফেব্রুয়ারির শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দশটার দিকে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন। উদ্বোধনের দিন অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে। এরপর ঢাকা কলেজেও একটি শহীদ মিনার তৈরি করা হয়, এটিও একসময় সরকারের নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলা হয়। ১৯৫৪ সালে প্রথম শহীদ মিনারের একই স্থানে পুনরায় দ্বিতীয় আরেকটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। এটির উদ্বোধন করেন নাট্যগুরু নুরুল মোমেন। অবশেষে, বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এর নকশা করেছিলেন ভাস্কর হামিদুর রহমান। কিন্তু ১৯৫৮তে ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান পাকিস্তানে সামরিক আইন জারীর পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে লেফটিন্যাণ্ট জেনারেল আযম খানের আমলে এর নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি এর নির্মাণ কাজের তত্ত্বাবধান করে। মূল নকশা ছেঁটে-কেটে দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়। মূল নকশার ফোয়ারা ও নভেরা আহমেদ এর ম্যুরাল ইত্যাদি বাদ পড়ে। নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের শুরুতে। ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

১৯৫৪

9
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ও বিজয়
১০ মার্চ ১৯৫৪ রাজনীতি
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ও বিজয়
পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বিপুল বিজয় লাভ করে। শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হন। যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা দাবি পেশ করে।
10
যুক্তফ্রন্ট সরকার বরখাস্ত
৩০ মে ১৯৫৪ রাজনীতি
যুক্তফ্রন্ট সরকার বরখাস্ত
কেন্দ্রীয় সরকার যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয় এবং পূর্ব বাংলায় গভর্নরের শাসন জারি করে।

১৯৫৬

11
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান
২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ সংবিধান
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয় এবং ২৩ মার্চ ১৯৫৬ কার্যকর হয়। পূর্ব বাংলার নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান করা হয়।

১৯৬৬

12
বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা দাবি
৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ স্বাধিকার আন্দোলন
বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা দাবি
শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে ছয় দফা দাবি পেশ করেন। এটি বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের ম্যাগনাকার্টা হিসেবে পরিচিত। ছয় দফা বাঙালির মুক্তির সনদ।
13
ছয় দফা আন্দোলন ও গ্রেফতার
৭ জুন ১৯৬৬ স্বাধিকার আন্দোলন
ছয় দফা আন্দোলন ও গ্রেফতার
ছয় দফা আন্দোলনের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।

১৯৬৮

14
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
৩ জানুয়ারি ১৯৬৮ মামলা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।

১৯৬৯

15
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
৫ জানুয়ারি ১৯৬৯ গণঅভ্যুত্থান
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি পেশ করে। গণঅভ্যুত্থানে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি পান।
16
বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ
২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সম্মাননা
বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ
ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

১৯৭০

17
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী বিজয়
৭ ডিসেম্বর ১৯৭০ নির্বাচন
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী বিজয়
পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। কিন্তু পাকিস্তান সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায়।

১৯৭১

18
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ
৭ মার্চ ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ
রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম" — এই ভাষণ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়।
19
স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ শুরু
২৬ মার্চ ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ
স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ শুরু
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে (রাত ১২টা ২০ মিনিটে) ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাসভবন থেকে ওয়্যারলেসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। মূল ঘোষণা: ইংরেজিতে পাঠানো সেই বার্তায় তিনি বলেছিলেন, "এই হয়তো আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শেষ পর্যন্ত দখলদার বাহিনীকে প্রতিহত করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলাদেশের মাটি থেকে বিতাড়িত না করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত আপনাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।
20
ঘোষণা পত্র পাঠ
২৭ মার্চ ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ
ঘোষণা পত্র পাঠ
২৭ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। এছাড়া এম এ হান্নানসহ অন্যান্য নেতারাও স্থানীয় বেতার থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন।
21
মুজিবনগর সরকার গঠন
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ
মুজিবনগর সরকার গঠন
মেহেরপুরের মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
22
বিজয় দিবস - চূড়ান্ত বিজয়
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ
বিজয় দিবস - চূড়ান্ত বিজয়
পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করে। বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে অর্জিত হয় স্বাধীনতা।

১৯৭২

23
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
১০ জানুয়ারি ১৯৭২ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে থাকার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
24
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন
২৬ মার্চ ১৯৭২ সংবিধান
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন
গণপরিষদ বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়ন করে। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে সংবিধান কার্যকর হয়।

১৯৭৪

25
জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ
১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ আন্তর্জাতিক
জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে। বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেন।

১৯৭৫

26
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড
১৫ আগস্ট ১৯৭৫ হত্যাকাণ্ড
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড
ঘাতকদের একটি দল ধানমন্ডি ৩২-এর বাসভবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। শুধু শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় বেঁচে যান।

১৯৯৬

27
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
২৩ জুন ১৯৯৬ রাজনীতি
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে বিজয়ী হয় এবং সরকার গঠন করে।

২০০৮

28
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ নির্বাচন
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হন।

২০১০

29
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়
২৭ জানুয়ারি ২০১০ বিচার
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ২০২০ সালে রায় কার্যকর হয়।

২০১৩

30
ধানমন্ডি ৩২ জাদুঘর উদ্বোধন
৫ আগস্ট ২০১৩ স্মৃতি
ধানমন্ডি ৩২ জাদুঘর উদ্বোধন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডি ৩২-এর বাসভবনকে জাদুঘর হিসেবে সংস্কার করে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

২০১৭

31
৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
৩০ অক্টোবর ২০১৭ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো "বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল" হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

২০২০

32
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর
২০২০ বিচার
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায় কার্যকর করা হয়।

২০২১

33
মুজিববর্ষ উদযাপন
২০২১ স্মৃতি
মুজিববর্ষ উদযাপন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সারা বছর "মুজিববর্ষ" উদযাপিত হয়।

২০২৪

34
রাজনৈতিক পরিবর্তন
৫ আগস্ট ২০২৪ রাজনীতি
রাজনৈতিক পরিবর্তন
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ঘটে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় সৃষ্টি হয়।
35
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন
৮ আগস্ট ২০২৪ রাজনীতি
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয় এবং দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে।
×

×
Full Image