২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসংঘে ভাষণ দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
1974 বঙ্গবন্ধু
২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসংঘে ভাষণ দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বাংলায় এক যুগান্তকারী ভাষণ প্রদান করেন। এই ভাষণটি ছিল বিশ্বের অধিকার বঞ্চিত, নির্যাতিত এবং নিষ্পেষিত মানুষের ন্যায়সংগত অধিকার প্রতিষ্ঠার ও বিশ্বশান্তির জন্য বলিষ্ঠ উচ্চারণ ও সাহসী পদক্ষেপ।

১৯৭৪ সালে পাকিস্তানে ওআইসি সম্মেলনে ইয়াসির আরাফাত বঙ্গবন্ধু ভুট্টো গাদ্দাফি ও সাদ্দাম।
1974 ওআইসি
১৯৭৪ সালে পাকিস্তানে ওআইসি সম্মেলনে ইয়াসির আরাফাত বঙ্গবন্ধু ভুট্টো গাদ্দাফি ও সাদ্দাম।

১৯৭৪ সালে ওআইসির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় পাকিস্তানের লাহোরে। বাম থেকে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো, লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট কর্ণেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি, ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।

১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে বঙ্গবন্ধুর সাথে কিউবার প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রো।
1973 বঙ্গবন্ধু
১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে বঙ্গবন্ধুর সাথে কিউবার প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রো।

কাস্ত্রো বলেন: “আমি হিমালয় দেখিনি। কিন্তু আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্বে ও সাহসে এই মানুষটি হিমালয়। এভাবেই আমার হিমালয়কে প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে।” বঙ্গবন্ধুকে আলিঙ্গন করে কিউবার সাবেক রাষ্ট্রপতি ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন।

৬ মে ১৯৭২ বন্ধবন্ধুর সাথে আ স ম আব্দুর রব এবং আব্দুল কুদ্দুস মাখন।
1972 বাংলাদেশ
৬ মে ১৯৭২ বন্ধবন্ধুর সাথে আ স ম আব্দুর রব এবং আব্দুল কুদ্দুস মাখন।

৬ মে ১৯৭২ বন্ধবন্ধু কে ডাকসুর আজীবন সদস্যপদ দেওয়া হয়। সাথে আ স ম আব্দুর রব এবং আব্দুল কুদ্দুস মাখন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর
1971 মুক্তিযুদ্ধ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং এর সেক্টর কমান্ডারগণ বাংলায় নিচে দেওয়া হলো: • সেক্টর ১: চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, রামগড়, ফেনী ও নোয়াখালী জেলার অংশবিশেষ। • কমান্ডার: মেজর এম. এ. রব (শুরুতে), পরবর্তীতে মেজর রফিকুল ইসলাম। • সেক্টর ২: ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। • কমান্ডার: মেজর খালেদ মোশাররফ (সেপ্টেম্বর পর্যন্ত), পরবর্তীতে মেজর এ. টি. এম. হায়দার। • সেক্টর ৩: হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ। • কমান্ডার: মেজর কে. এম. শফিউল্লাহ (জুলাই পর্যন্ত), পরবর্তীতে মেজর এ. এন. এম. নূরুজ্জামান। • সেক্টর ৪: বর্তমান সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই ও শায়েস্তাগঞ্জ বাদে বাকি অংশ। • কমান্ডার: মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত (সি আর দত্ত)। • সেক্টর ৫: সিলেট জেলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও দুর্গাপুর এলাকা। • কমান্ডার: মেজর মীর শওকত আলী। • সেক্টর ৬: দিনাজপুর ও রংপুর জেলার অংশবিশেষ এবং ঠাকুরগাঁও মহকুমা। • কমান্ডার: উইং কমান্ডার এম. খাদেমুল বাশার। • সেক্টর ৭: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ। • কমান্ডার: মেজর কাজী নুরুজ্জামান। • সেক্টর ৮: কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর ও বরিশাল জেলার অংশবিশেষ। • কমান্ডার: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী (আগস্ট পর্যন্ত), পরবর্তীতে মেজর এম. এ. মঞ্জুর। • সেক্টর ৯: বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার অংশবিশেষ। • কমান্ডার: মেজর এম. এ. জলিল (ডিসেম্বর পর্যন্ত), পরবর্তীতে মেজর জিয়াউদ্দিন আহমেদ। • সেক্টর ১০: কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না; এটি নৌ-কমান্ডো ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার জন্য গঠিত হয়েছিল (সরাসরি কমাণ্ডার-ইন-চিফের অধীনে)। • কমান্ডার: লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম. আই. রুমী (কমান্ডার পেটো ও অন্যান্যরা)। • সেক্টর ১১: ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল এবং রংপুর ও গাইবান্ধার অংশবিশেষ। • কমান্ডার: মেজর জিয়াউর রহমান (পরবর্তীতে মেজর এম. আবু তাহের এবং স্কোয়াড্রন লিডার এম. হামিদুল্লাহ খান)।

ক্র্যাক প্লাটুন ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধে ঢাকায় গঠিত একটি বিশেষ ও দুর্ধর্ষ গেরিলা বাহিনী
1971 মুক্তিযুদ্ধ
ক্র্যাক প্লাটুন ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধে ঢাকায় গঠিত একটি বিশেষ ও দুর্ধর্ষ গেরিলা বাহিনী

• গঠন ও নেতৃত্ব: সেক্টর ২-এর অধীনে এবং সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ ও মেজর এটিএম হায়দারের উদ্যোগে এই গেরিলা দলটি গঠিত হয়। • প্রশিক্ষণ: ভারতের মেলাঘর প্রশিক্ষণ শিবির থেকে এরা গেরিলা ও কমান্ডো ট্রেনিং নেয়। • সদস্য: মূলত ঢাকা শহরের সাহসী শিক্ষার্থী, তরুণ ও সাধারণ নাগরিকেরা এই দলে যোগ দেন। • কার্যপদ্ধতি: তারা 'হিট অ্যান্ড রান' (আঘাত করে সরে পড়া) পদ্ধতিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঢাকার বুকে একের পর এক দুঃসাহসিক অপারেশন পরিচালনা করে।

ক্রাক প্লাটুনের শহীদ গেরিলা যোদ্ধারা
1971 মুক্তিযুদ্ধ
ক্রাক প্লাটুনের শহীদ গেরিলা যোদ্ধারা

১৯৭১ সালের ২৯ আগস্ট, কুখ্যাত আলবদর নেতার ইনফরমারের দেওয়া তথ্যে পাকস্তানি মিলিটারির কাছে ধরা পড়েন এবং পরবর্তীতে শহীদ হন ক্রাক প্লাটুনের অন্যতম গেরিলা যোদ্ধা — শহীদ বদিউল আলম বদী (বীর বিক্রম), শহীদ শফি ইমাম রুমি (বীর বিক্রম), শহীদ আব্দুল হালিম চৌধুরী জুয়েল (বীর বিক্রম), শহীদ বাকের (বীর প্রতীক), শহীদ আলতাফ মাহমুদ, শহীদ সেকান্দর হায়াত, শহীদ হাফিজ, শহীদ মাগফার আহমেদ চৌধুরী আজাদ, শহীদ আবদুল্লাহ-হিল-বাকী।

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ।
1971 মুক্তি যুদ্ধ
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ।

“বঙ্গবন্ধু” শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রমনা রেসকোর্স ময়দান (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান), ঢাকা, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ)-এ তার ঐতিহাসিক সাতই মার্চের ভাষণ (৭ই মার্চ ভাষণ) দিচ্ছেন। তার পেছনে বিশাল জনসমাবেশে তিনি হাত উঁচিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। এই ভাষণটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের বাস্তব ঘোষণা হিসেবে ব্যাপকভাবে বিবেচিত।

নির্বাচনী প্রচারণা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭০)
1970 মুক্তি যুদ্ধ পূর্ব
নির্বাচনী প্রচারণা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭০)

ঢাকার তেজগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রচারণা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭০) ।

নির্বাচনের ফলাফল শুনছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭০)
1970 মুক্তি যুদ্ধ পূর্ব
নির্বাচনের ফলাফল শুনছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭০)

সত্তরের নির্বাচনের ফলাফল শুনছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাশে তাজউদ্দিন আহমেদ এবং আওয়ামী লীগের সাত নারী নেত্রী (১৯৭০)।

ভারতের রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৭)
1957 মুক্তি যুদ্ধ পূর্ব
ভারতের রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৭)

নয়াদিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খান এবং মন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৭) ।

মন্ত্রীসভার বৈঠকে অন্যান্যদের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৭)
1957 মুক্তি যুদ্ধ পূর্ব
মন্ত্রীসভার বৈঠকে অন্যান্যদের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৭)

মন্ত্রীসভার বৈঠকে পূর্ব বাংলার গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ও মুখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খানের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান (৭ জুন, ১৯৫৭)।

কাগমারিতে অনুষ্ঠিত আফ্রো-এশীয় সাংস্কৃতিক সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৭)
1957 মুক্তি যুদ্ধ পূর্ব
কাগমারিতে অনুষ্ঠিত আফ্রো-এশীয় সাংস্কৃতিক সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৭)

টাঙ্গাইলের কাগমারিতে অনুষ্ঠিত আফ্রো-এশীয় সাংস্কৃতিক সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান, সাথে আরো আছেন মাওলানা ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ( ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৭)।

চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইয়ের সংবর্ধনা সভায় শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৬)
1956 মুক্তি যুদ্ধ পূর্ব
চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইয়ের সংবর্ধনা সভায় শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৬)

ঢাকায় চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইয়ের সংবর্ধনা সভায় স্বাগত বক্তব্য পাঠ করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। পাশে দাঁড়ানো হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬) ।

প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৬)
1956 মুক্তি যুদ্ধ পূর্ব
প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৬)

পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৬)।

যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্যদের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৪)
1954 মুক্তি যুদ্ধ পূর্ব
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্যদের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৪)

যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য খয়রাত হোসেন, শেখ মুজিবুর রহমান, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, আতাউর রহমান খান, শরৎচন্দ্র মজুমদার, মাহমুদ আলী। উপরের সারিতে ডান থেকে এম মনসুর আলী, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, মশিউর রহমান, মনোরঞ্জন ধর ও আব্দুর রহমান খাঁ (১৯৫৪)।

নির্বাচনী প্রচারণায় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৪)
1954 মুক্তি যুদ্ধ পূর্ব
নির্বাচনী প্রচারণায় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৪)

নৌকায় চড়ে রাজশাহীতে নির্বাচনী প্রচারণায় যাচ্ছেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৪) ।

ভাষা শহীদদের স্মরণে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৩)
1953 ভাষা আন্দলন
ভাষা শহীদদের স্মরণে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৩)

ভাষা শহীদদের স্মরণে রাজপথেই মোনাজাতে শরিক হয়েছেন শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর সতীর্থরা (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩) ।

রাজনৈতিক সহকর্মীদের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫২)।
1952 ভাষা আন্দলন
রাজনৈতিক সহকর্মীদের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫২)।

রাজনৈতিক সহকর্মীদের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫২)।

পুরান ঢাকার মুকুল সিনেমা হলে আওয়ামী মুসলিম লীগের ১ম কাউন্সিল (১৯৪৯)
1949 আওয়ামীলীগ
পুরান ঢাকার মুকুল সিনেমা হলে আওয়ামী মুসলিম লীগের ১ম কাউন্সিল (১৯৪৯)

১৯৪৯ সালের ৯ জুলাই পুরান ঢাকার মুকুল সিনেমা হলে আওয়ামী মুসলিম লীগের ১ম কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তরুণ শেখ মুজিবুর রহমান।
1949 মুক্তি যুদ্ধ পূর্ব
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তরুণ শেখ মুজিবুর রহমান।

রাজনৈতিক গুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তরুণ ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৪৯)।

মহাত্মা গান্ধীর প্রতিবাদ সভায় তরুণ ছাত্র নেতা শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৪৭)
1947 দেশ ভাগের পূর্বে
মহাত্মা গান্ধীর প্রতিবাদ সভায় তরুণ ছাত্র নেতা শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৪৭)

কলকাতায় হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার বিরুদ্ধে মহাত্মা গান্ধীর প্রতিবাদ সভায় তরুণ ছাত্র নেতা শেখ মুজিবুর রহমান (পেছনে দাঁড়ানো) এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (১৯৪৭)।

তরুণ ফুটবলার শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৪০)
1940 দেশ ভাগের পূর্বে
তরুণ ফুটবলার শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৪০)

তরুণ ফুটবলার শেখ মুজিবুর রহমান (সামনের সারিতে বাঁ থেকে তৃতীয়) ১৯৪০

×

×
Full Image